এপ্রিল ২০২৬
প্রিয় বুদ্ধির ঢেঁকি (যোগাযোগের ক্ষেত্রে),
কেমন আছেন মহাশয়? কতদিন হলো কোনো কথা হয় না। সবকিছু ঠিকঠাক আছে তো নাকি? ঈশ্বর যদি আমার মতো পাপীর ভালো উইশ গুলো পূরণ করেন তাহলে তুই সারাজীবন সুখেই থাকবি।তোর সাথে যখন প্রথম বন্ধুত্ব হয়েছিল সেইসময় তোর ফোন ছিল না। কম্পিউটারে তোর মায়ের সামনে আমার সাথে অনেকক্ষণ কথা বলতে গেলে বকা খেতি। এরপরও অনেক কথা হতো। এরপর যখন ফোন কিনলি তারপর থেকে হারিয়ে যাওয়া শুরু হলো সব। গল্প-কথা, সুখ-দুঃখ সব একে একে হারিয়ে গেল!! আর এদ্দিন যতটুকু যোগাযোগ হতো তাও এখন ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে! প্রতিবার মনে হয় মেসেজ দিই। জিজ্ঞেস করি কী জন্য মেসেজ দিচ্ছিস না? তবে আমার মনের ১টা আমি'ই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়— 'পড়াশোনায় চাপ বেশি'। আবার মনের আরেকটা আমি'ই প্রশ্ন করে— 'তুই এতো আজাইরা কেন রে? নিজে তো পড়াশোনা শিকেয় তুলেছিস, বন্ধু যে পড়তেছে সেটা দেখে তো কিছু শিখতে পারিস। আজাইরা এক্সেপ্টেশন বাদ দিয়ে পড়াশোনা কর কাজে দিবে।' তবে কি আসলেই খুব ভালো পড়াশোনা করতে গেলে বন্ধুত্বের খবর রাখা যায় না? হয়তো যায় না! কিংবা কেবল আমিই একমাত্র যে, বন্ধুত্বের খবর রাখাকেও একপ্রকার কর্তব্য ভেবে আজাইরা সময় নষ্ট করে।হুদাই কতকিছু লিখলাম। আসলে আমি বলতে খুব ভালোবাসি তো তাই যা মনে আসে বলে ফেলি। তুই মেসেজ দিস না তাই চিঠি লিখলাম। এদ্দিনে যা বুঝলাম, কোনো কিছুই খুব বেশি ভালো না। তাই আজ এপর্যন্তই। দুহাত ভরা দোয়া রইল তোর জন্য।
ইতি, তোর অনেকটা সুখ কামনায়,
তোর আজাইরা বন্ধু।